বণিক সভ্যতা

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারী ১৯, ২০১৯

বুভুক্ষু এ সভ্যতা রক্ত-মাংস-হাড় চায় - মানুষের।

শান্তির ন্যাকামোতে 'ভুষাখুলি' ঠ্যাঙ্গানো তাই,

উন্নতির সৌধ রচে স্কেলেটন - মানুষের।

আর মানুষ?

"নিতম্ব উলঙ্গ করিয়া সভ্যতার নির্মাতারে ডেকে কহে,

মোর মনিব, লও শাবল-কাস্তে, ঠ্যাঙ্গাও মোরে;

রক্ত-মাংস লও, লও হাড়সব,

তবু রচো সৌধ তোমার, যাহা মন চায়।"

নিতম্বে জোরসে লাথি, হাড় ভেঙ্গে চূর্ণবিচূর্ণ।

বললে আশায়, "দিও শুধু ঠায়,

সৌধের এক কোণে বাচিবার চাই, করো আশা পূর্ণ। "

অর্ধমানব তবু গেলে গীত, 'ঠিক তুমি ঠিক'!

স্কেলেটন কলে গলে হলো সভ্যতার কংক্রিট - মানুষের।

হায় অর্ধমানুষ হায়!


নত হয়ে র'লে এক কোণে বণিক সৌধের!

জোর নেই উঠবার,

দূর থেকে দেখা মেলে শুধু সৌধের শৌর্য

আর কে তুমি মানুষ, কেনো এতো চিৎকার?

কোথা পেলে এতো ধৈর্য্য?

হায় রে বোকা, স্বার্থপর তোর কাব্যতা!

জানিসনে, মানুষের তরে সভ্যতা?


কংক্রিটের দেয়ালে লেপ্টে থাকা রক্ত

কতটুকু এনে দিলে সুখ?

জোর করায়ত্ত কতটুকু ভূমি বলো ঘুঁচিয়েছে দুখ?

কতটুকু পেলে ঐ সৌধে ঠাঁয়

তুমি দাস বণিক সভ্যতার,

হায়! অর্ধমানুষ হায়!