সমাজ নিয়ে কেনো ভাবতেই হবে?

প্রকাশিত: জানুয়ারী ২২, ২০২১

আমরা সবসময় তেমনটাই ভাবি যেমনটা আমরা পরোক্ষ করি। কিন্তু আমাদের দৃষ্টির আড়ালে অসংখ্য ঘটনা ঘটে চলছে প্রতিনিয়ত। 

সমাজ নিয়ে কেনো ভাবতেই হবে
আমার পরিবারের একজন সদস্য অসুস্থ হয়ে পড়লে। আমি ভীষণভাবে নিজেকে অসহায় মনে করতে শুরু করি। তার অসুস্থতায় যেন আমার শরীরের একাংশ ব্যথাগ্রস্ত হয়ে পড়ে। আর এমনটা হবে না কেন, কারণ আমি যে আমার প্রাণ তাদের মধ্যে গেঁথে রেখেছি। তাদের মুখের সামান্য হাসিতে আমার সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য নিহিত করেছি। ফলে তাদের অসুস্থতায় আমার ব্যথা অধিক হয়। 


আমরা সকলে একই ভালোবাসা পোষণ করে চলছি আমাদের পরিবারের সদস্য-সদস্যাদের প্রতি। আর করবই না-বাই কেন, কারণ আমাদের আশ্রয় তাঁদের কাছেই একাগ্র। 

কিন্তু আমরা একটা বিষয় কখনো খেয়াল করেছি কি? 

যে পরিবারের সুরক্ষার জন্য আমরা এতো অস্থির থাকি সবসময়। এতো ব্যাকুল হয়ে থাকি সুরক্ষায়। সে পরিবার যে সমাজে জীবনযাপন করছে সে সমাজের বসবাসকৃত মানুষের কি অবস্থা। তারা কোন হালে জীবন নির্বাহ করছে। 

নিশ্চয়ই আমরা তা কখনো খেয়াল করি না। সে বিষয়ে গুরুত্ব দেই না। ফলে সমাজের কলুষিত আবহাওয়ায় সমাজের মানুষের অসুস্থতা আমাদের পরিবারের সদস্যদের উপর প্রভাব ফেলে। 

আমরা সবাই সবার জীবন সুখময় করার জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করছি। পরিবারের সুখের উৎস পূরণ করছি। তাদের সকল চাহিদা পূরণ করছি। কিন্তু অস্বস্তিকর যে পরিবেশ সমাজে বিরাজিত, সে পরিবেশ মানুষের বসবাসের উপযোগী করার জন্য নিজেদের কোনো দায়িত্ব মনে করছি না। ভূমিকা রাখছি না। 

তাই সমাজ আক্রান্ত হলেই আক্রান্ত হচ্ছে আমাদের প্রাণের পরিবার। ঝুঁকির মুখে পড়ছে পরিবারের সদস্যরা। আমাদের কি করনীয়  এর থেকে মুক্তি লাভ করতে হলে, সে সম্পর্কে আমরা সবাই অবচেতন। অথচ পরিশ্রমের কোনো কমতি রাখছি না পরিবারের স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য। এতে করে এ যাবৎ কেউ আমরা আমাদের পরিবারকে প্রকৃত সুখের স্বাদ দিতে পারিনি। পেরেছি শুধু সাময়িক সময়ের জন্য অভিলাষ দিতে। যা মানুষের কাম্য নয়। মানুষ চায় আত্মার প্রশান্তি।