তালেবানদের জন্ম কখনই হঠাৎ করে হয় না

প্রকাশিত: জুলাই ১৫, ২০২১

তালেবানের মত শক্তিগুলোর জন্ম কখনই হঠাৎ করে হয় না। বিশেষ করে বর্তমানের দাজ্জালীয় যুগে। এই যুগে তালেবানদেরকে সৃষ্টি করা হয়, ধ্বংস করা হয়, আবার সৃষ্টি করা হয়। সবকিছুই হয় দাজ্জালের প্রয়োজনে। দাজ্জাল কখন কোন ঘুটি খেলতে চায়, কখন কাকে কোন লাইনে খেলতে চায় সেটার উপর নির্ভর করে তালেবানরা কখন কোন এলাকা দখল করবে, আইএস কখন কোথায় জন্ম নিবে, আল কায়েদা কখন শক্তিশালী হয়ে উঠবে আবার কখন হাওয়ায় মিশে যাবে ইত্যাদি। 

তালেবান নেতৃত্ব

এখন তালেবানের উত্থান ঘটছে, কারণ উত্থান ঘটানো হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র জানে তারা আফগান ছাড়ার মাস ছয়েকের মধ্যে তালেবানরা কাবুল দখল করবে। তাদের গোয়েন্দারাই ভবিষ্যদ্বাণী করেছে। সেটা জেনে বুঝেও যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তান ছেড়ে যাচ্ছে। কেন ছেড়ে যাচ্ছে, এতে যুক্তরাষ্ট্রের বা তার পশ্চিমা মিত্রদের কার কী স্বার্থ জড়িয়ে আছে, সেটা আজ না বোঝা গেলেও কিছু দিন অপেক্ষা করেন। ঠিকই সত্যটা বেরিয়ে আসবে। 

হয়ত তালেবানের চেয়েও বড় কোনো শত্রুকে ঠেকানোর প্রয়োজনেই তালেবানকে ব্যবহার করবে যুক্তরাষ্ট্র। কোথাকার জল কোথায় গড়ায় তা দেখার অপেক্ষায়। তবে সেই জল যাতে বাংলাদেশের সীমানার মধ্যে ঢুকে না পড়ে সেজন্য প্রস্তুতি কিন্তু বজায় রাখতে হবে। 

তালেবানদের অভিভাবক হলো পাকিস্তান সরকার। আর আফগান সরকারের অভিভাবক হলো ভারত সরকার। তালেবানদের উত্থানে ইতোমধ্যে ভারতের ঘুম হারাম হয়ে গেছে। বাংলাদেশ সরকারেরও ঘুম হারাম হওয়া উচিত। ইমরান খান চেষ্টা করবে চীনকে সাথে নিয়ে তালেবানকে ব্যবহার করে ভারতের বিরুদ্ধে খেলে দিতে। 

ছবি: চীনা ইঞ্জিনিয়ার বহনকারী বাসে বোমা হামলায় আহত চীনা নাগরিক।
ছবি: চীনা ইঞ্জিনিয়ার বহনকারী বাসে বোমা হামলায় আহত চীনা নাগরিক।

ইমরান খান সাফ জানিয়ে দিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রকে পাকিস্তানে ঘাঁটি বানাতে দেওয়া হবে না। তার কিছুদিন পরই চীনা ইঞ্জিনিয়ার বহনকারী বাসে বোমা হামলা হয়েছে। এটাও আরেক রহস্য। পরিস্থিতি কি শেষ পর্যন্ত পাকিস্তান সরকারের হাতের মুঠোয় থাকবে? মনে হচ্ছে না। তবে দাজ্জাল যতদিন চাইবে ততদিন থাকতে পারে।